Class 6 Assignment with Solution 2021। 6th week [ English, কৃষি শিক্ষা এবং গার্হস্থ্য বিজ্ঞান]

Class 6 Assignment 2021।6th week [English]

Class 6 Assignment 2021।6th week [English]

Class 6 Assignment Solutions 2021।6th week [English]

Happy Feelings

Everyone has happy memories in life. And if that happy memory is for any success, then there is no limit to happiness. I also have a success story in my life. I was attracted to music since childhood. So everyone in the family encouraged me a lot. I had the opportunity to participate in school cultural competitions when I was in class six. Since I could sing well, I decided to sing in the competition. I decided to sing the patriotic song “O Amar Desh Mati” in the cultural competition. Everyone in the family helped me enough. The song I sang in the competition captivated everyone. And I won first place in the competition. My dad congratulated me and said, Well done, Son! I’m proud of you. I got a lot of praise from everyone. I really liked the praise from everyone. The day has become forever memorable to me. I still feel a lot of joy when I think about the day.

Class 6 Assignment 2021।6th week [কৃষি শিক্ষা ]

Class Six 6th Week | Agricultural Science | কৃষি শিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১

Class 6 Assignment Solutions 2021।6th week[কৃষি শিক্ষা]

১. রীনা বেগম কৃষি মেলায় কী কী কৃষিজাত পণ্য দেখতে পেয়েছিলেন?
উত্তরঃ কৃষি বিষয়ক তথ্য পেতে কৃষি মেলার বিকল্প নেই। রীনা বেগম কৃষি মেলায় কৃষি কাজে ব্যবহৃত আধুনিক যন্ত্রপাতি, উপকরণ, উৎপাদিত কৃষিপণ্য, চারা, বীজ, সার, কৃষিবিষয়ক পুস্তিকা, বুলেটিন, লিফলেট ইত্যাদি কৃষিজাত পণ্য দেখতে পেয়েছিলেন। 

২. তাঁর কৃষিকার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য কাদের নিকট থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা পেতে পারে।
উত্তরঃ রীনা বেগম তাঁর কৃষিকার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও মৎস্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছ থেকে কৃষি বিষয়ক তথ্য ও সেবা নিতে পারেন। তাছাড়া তিনি অভিজ্ঞ কৃষকের কাছ থেকেও পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেন। অভিজ্ঞ কৃষক একজন স্থানীয় নেতা এবং একজন পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করেন। কৃষি মেলা থেকেও প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা নিতে পারেন কারণ কৃষি মেলায় কৃষি কাজে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকেন। 

৩. কৃষি বিষয় শিক্ষা গ্রহণ ও গবেষণা করতে কোন কোন প্রতিষ্ঠান ভূমিকা রাখতে পারে?
উত্তরঃ কৃষি বিষয় শিক্ষা গ্রহণ ও গবেষণা করতে নিন্মলিখিত প্রতিষ্ঠানগুলো ভূমিকা রাখতে পারেঃ

  • কৃষিশিক্ষাঃ কৃষি শিক্ষা গ্রহণে বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এবং মাদ্রাসা শিক্ষায় কৃষিশিক্ষা যুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ১৬টি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট রয়েছে। তাছাড়া কারিগরি বোর্ডের একাডেমিক অধীনে থেকে ইনস্টিটিউটগুলোর চার বছর মেয়াদি কৃষি ডিপ্লোমা প্রদান করে থাকে। উচ্চতর কৃষি শিক্ষার জন্য বাংলাদেশ ৫টি সরকারি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে এবং সেইসাথে দুটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কৃষি অনুদান চালু রয়েছে।

 

  • কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানঃ বাংলাদেশের অনেকগুলো কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বেশিরভাগ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট ফসলের উপর গবেষণা করে থাকে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ধানের উন্নত জাত ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য গবেষণা করে। পাট উন্নয়ন এর জন্য রয়েছে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট। আখ উন্নয়নের জন্য রয়েছে বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট। কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান গুলো বিভিন্ন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে ফসলের বীজ নতুন জাত উদ্ভাবনের পাশাপাশি কীটপতঙ্গের প্রতিকারসহ কৃষির নানা প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সক্ষম হয়েছে।

 

  • কৃষি বিজ্ঞানীঃ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে যিনি গবেষণা করে নতুন নতুন জাত প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন তিনি কৃষি বিজ্ঞানী। একজন কৃষি বিজ্ঞানীর নিকট কৃষি বিষয়ক নানা প্রকার তথ্য মজুদ থাকে। তারা নতুন ফসল ও প্রাণীর উন্নতজাত উৎপাদন ও সংরক্ষণ পদ্ধতি উদ্ভাবন করে দেশের কল্যাণ সাধন করছেন।

৪. একজন অভিজ্ঞ কৃষক কীভাবে রীনা বেগমকে সহায়তা করতে পারে?
উত্তরঃ অভিজ্ঞ কৃষক একজন স্থানীয় নেতা এবং একজন পরামর্শদাতা। অভিজ্ঞ কৃষকেরা কৃষি জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করেন। একজন অভিজ্ঞ কৃষক স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তাদের সাথে যোগাযোগ রাখেন ও নতুন নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখেন। রিনা বেগম অভিজ্ঞ কৃষকের কাছ থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কৃষি বিষয়ক তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। তথ্য প্রযুক্তি যেমনঃ মোবাইল, ফেসবুক, ই-মেইল ব্যবহার করে অভিজ্ঞ কৃষকের কাছ থেকে কৃষি ফসল নিয়ে নানা সমসার সমাধান এবং ফসলের রোগ, নতুন নতুন বীজ সম্পর্কে জানতে পারেন।

 

৫. একজন কৃষক ও একজন কৃষি বিজ্ঞানীকে তুমি কীভাবে আলাদা করবে?
উত্তরঃ কৃষক একজন ব্যক্তিবিশেষ যিনি কৃষিকার্য পেশায় নিয়োজিত থেকে ফসল উৎপাদন করেন। পাশাপাশি তিনি খাবারের উপযোগী করে গৃহপালিত প্রাণী লালন-পালন করেন। সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকে এ পেশার মাধ্যমে কৃষক মানুষের জন্যে খাদ্য সরবরাহ করে জীবনকে চলমান রেখেছেন। কৃষক কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকে। 

 

কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে যিনি গবেষণা করে নতুন নতুন জাত প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন তিনি কৃষি বিজ্ঞানী। একজন কৃষি বিজ্ঞানীর নিকট কৃষি বিষয়ক নানা প্রকার তথ্য মজুদ থাকে। কৃষি বিজ্ঞানী কৃষি বিষয়ক সকল তথ্য দিয়ে কৃষকদের পরোক্ষভাবে সাহায্য করে থাকে। 

Class 6 Assignment 2021।6th week [গার্হস্থ্য বিজ্ঞান]

Class 6 Assignment 2021।6th week [গার্হস্থ্য বিজ্ঞান]

Class 6 Assignment Solutions 2021।6th week [গার্হস্থ্য বিজ্ঞান]

নমুনা উত্তর

শিশুকালের নাম

বয়স সীমা

বৈশিষ্ট্য

নবজাতক কাল

জন্ম মুহূর্ত থেকে ২ সপ্তাহ

  • প্রথম ভাষা হলো কান্না ফুসফুস সক্রিয় হয়
  • হঠাৎ শব্দ হলে চমকে ওঠে 
  • দৈনিক ১৮ থেকে ২০ ঘন্টা ঘুমায় 
  • ঠোঁটের কাছে আঙ্গুল রাখলে চুষে খেতে চায়। 
  • হাতের তালুতে কিছু রাখলে তা শক্ত করে চেপে ধরে।

অতি শৈশব কাল

২ সপ্তাহ থেকে ২ বছর পর্যন্ত

  • হাঁটতে শিখে 
  • এই বয়সে শিশুদের বিকাশ দ্রুত হয় 
  • কথা বলতে শিখে

প্রারম্ভিক কাল

২ বছর থেকে ৬ বছর পর্যন্ত

  • এ বয়সের অন্য একটি নাম হল হলো প্রাক বিদ্যালয় শিশু
  • শিশুরা খেলাধুলা ও আনুষ্ঠানিক পড়াশোনার প্রস্তুতি নেয়
  • মনে অনেক প্রশ্ন ও কৌতূহলে জাগে 
  • বুদ্ধির বিকাশ ঘটে 
  • ধমক দিয়ে থামিয়ে রাখা কঠিন

মধ্য শৈশব

৬ বছর থেকে ১০/১১ বছর পর্যন্ত

  • শারীরিক বিকাশ ধীর গতিতে চলে 
  • সামাজিক জীবনে পরিবর্তন আসে 
  • সমবয়সীদের সাথে বন্ধুত্ব সৃষ্টি হয় 
  • পরিবারে কাজে সাহায্য করে উদ্যমী ও পরিশ্রমী হয় 
  • বিভিন্ন সৃজনশীল কাজ আকৃষ্ট হয়। যেমনঃ ছবি আঁকা, গল্প-কবিতা, সাতার কাটা, সাইকেল চালানো 
  • আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে

তুমি কি সব বয়সের শিশুর সাথে একই ধরণের আচরণ করবে? যুক্তি দিয়ে বোঝাও।

বয়সভেদে শিশুদের আচরণের তারতম্য রয়েছে। তাই সব শিশুদের সাথে একই আচরণ ন্যায় সঙ্গত নয়। নবজাতক শিশুকে বিশেষ যত্নে রাখতে হয়।  দুই বছর বয়সে শিশুরা হাঁটতে শিখে তাই এই সময় তাদের দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হয় যাতে পড়ে গিয়ে ব্যথা না পায়। ভয় পেলে কোলে তুলে নিতে হবে।  ক্ষুদা পেলে খাবার দিতে হবে। কান্না করলে কোলে তুলে আদর করতে হবে। মল-মূত্র ত্যাগ করলে সাথে সাথে তা পরিষ্কার করতে হবে। স্কুলে পড়ুয়া শিশুরা সামাজিক পরিবেশের সাথে নিজেকে যুক্ত করতে শুরু করে তাই তাদের প্রতি যত্নবান হওয়া উচিত। তাদেরকে পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে হবে, সুন্দরভাবে কথা বলতে হবে, তারা যা বলে তা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে, তাদের কোন কাজে বা প্রশ্নে বিরক্ত হওয়া যাবে না।   মধ্য শৈশব অর্থাৎ ৬ থেকে ১২ বছর শিশুদের শারীরিক বিকাশ ধীর গতিতে হয়। তাই এই সময় শিশুদের প্রয়োজন হয় বাড়তি যত্নের।  এই বয়সে শিশুদের শারীরিক বিকাশ গঠনে খেলাধুলায় বাধা দেওয়া উচিত নয়। তাদেরকে ভালো কাজের জন্য উৎসাহিত করতে হবে। কোন কাজে সাফল্য না পেলে নিরুৎসাহিত না করে বরং কীভাবে কাজে সফলতা অর্জন করতে হয় তা বুঝিয়ে দেয়া। মধ্য শৈশব বয়সটি শিশুদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই বয়সেই ছক বাধা জীবনে একটি পরিবর্তন শুরু হয়। এই বয়সে একজন শিশু পরিবারের বন্ধন ছাড়াও  বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তাই শিশুদেরকে ভালো বন্ধু গঠনে পরামর্শ দিতে হবে। শিশুদের মাঝে হতাশা আসলে ভালো আচরণের মাধ্যমে তাদের মাঝে নিরাপত্তাবোধ জাগিয়ে তুলতে হবে। শিশুদের ভালো কাজের জন্য প্রশংসা করতে হবে। আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎ। তাই শিশুদের ভবিষৎকে সুন্দর ও সুচারুরূপে গড়ে তুলতে তাদের সাথে নেতিবাচক উক্তি ছুড়ে না দিয়ে বরং ইতিবাচক উক্তি দিয়ে তাদেরকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

We will be happy to hear your thoughts

      Leave a reply

      error: Content is protected !! Contact us to get content.