Class 6 Assignment with Solution 2021।3rd week[গনিত, কৃষি শিক্ষা এবং গার্হস্থ বিজ্ঞান]

Table of Contents

Class 6 Assignment 2021।3rd week[গনিত]

class 6 গনিত assinment

Class 6 Assignment Solution 2021।3rd week[গনিত]

১ নং প্রশ্নের উত্তর (ক)

সমস্যাঃ ১ থেকে ৭২ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলি সনাক্ত কর।

মৌলিক সংখ্যাঃ যে সকল সংখ্যার ১ ও ঐ সংখ্যা ছাড়া অপর কোনো গুণনীয়ক থাকে না, তাদের মৌলিক সংখ্যা বলা হয়।
গুণনীয়কঃ যে সকল সংখ্যা দ্বারা কোনো সংখ্যাকে ভাগ করলে কোনো ভাগশেষ থাকে না সেগুলোকে ঐ সংখ্যার গুণনীয়ক বলে।
১ থেকে ৭২ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো নিন্ম্রুপঃ
২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯, ৩১, ৩৭, ৪১, ৪৩, ৪৭, ৫৩, ৫৯, ৬১, ৬৭, ৭১।

১ নং প্রশ্নের উত্তর (খ)

সমস্যাঃ ৮ ও ১২ সংখ্যা দুটির সাধারণ ভাজক নির্ণয় কর। 

সুতরাং, ৮ ও ১২ সংখ্যা দুটির সাধারণ ভাজক হলো ৪।

১ নং প্রশ্নের উত্তর (গ)

সমস্যাঃ মৌলিক গুণনীয়কের সাহায্যে সংখ্যা তিনটির বৃহত্তম সাধারণ গুণনীয়ক নির্ণয় কর।

উদ্দীপকে দেওয়া আছে, তিনটি সংখ্যা ২৮, ৪৮ ও ৭২।

এখানে, ২৮ = ২ X ২ X ৭
            ৪৮ = ২ X ২ X ২ X ২ X ৩
            ৭২ = ২ X ২ X ২ X ৩ X ৩

২৮, ৪৮, ৭২ সংখ্যা তিনটির সাধারণ সাধারণ গুণনীয়কগুলো হলো ২, ২।
সুররাং, সংখ্যা তিনটির বৃহত্তম সাধারণ গুণনীয়ক = ২ X ২ = ৪

১ নং প্রশ্নের উত্তর (ঘ)

সমস্যাঃ ইউক্লিডিয় প্রক্রিয়ায় সংখ্যা তিনটির নূন্যতম সাধারণ গুনিতক নির্ণয় কর।

উদ্দীপকে দেওয়া আছে, তিনটি সংখ্যা ২৮, ৪৮ ও ৭২।

১ নং প্রশ্নের উত্তর (ঙ)

সমস্যাঃ উদ্দীপকের ১ম ও ২য় সংখ্যার গুণফল , এদের ল. সা. গু. ও গ. সা. গু. এর গুণফলের সমান।

উদ্দীপকের ১ম ও ২য় সংখ্যা যথাক্রমে ২৮, ৪৮।
এখানে, ১ম সংখ্যা = ২৮
২য় সংখ্যা = ৪৮
সংখ্যা দুটির গুণফল = ২৮ X ৪৮ = ১৩৪৪
আবার,

সংখ্যা দুটির ল. সা. গু = ২ X ২ X ৭ X ১২ = ৩৩৬ 

সংখ্যা দুটির গ. সা. গু. = ৪

সংখ্যা দুটির ল. সা. গু. X গ. সা. গু. = ৩৬৬ X ৪ = ১৩৪৪ 

Class 6 Assignment 2021।3rd week[গার্হস্থ বিজ্ঞান]

class 6 assinment 1

Class 6 Assignment Solution 2021।3rd week[গার্হস্থ বিজ্ঞান]

১ নং প্রশ্নের উত্তর

প্রশ্নঃ তোমার গৃহ পরিবেশের বিভিন্ন অংশের নাম লিখ।

গৃহ পরিবেশঃ প্রতিটি মানব শিশুর জীবনে প্রথম পরিবেশ হলো গৃহ। আশেপাশের সব কিছুর নিয়ে গৃহ পরিবেশ সৃষ্টি হয়। গ্রিহের ভিতর ও বাহিরে সব অংশ নিয়েই গড়ে উঠে গৃহ পরিবেশ। পরিবারের সদস্যের সুখ, শান্তি এবং শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নির্ভর করে গৃহ পরিবেশের উপর।

গৃহ পরিবেশের মধ্যে যা থাকেঃ

  • বিভিন্ন ঘর বা কক্ষ
  • বারান্দা
  • ছাদ/চালা
  • আঙ্গিনা

পরিবারের আমাদের সব রকম বিকাসের জন্য সুন্দর একটি গৃহ পরিবেশ দরকার। আমরা সবাই শিশুকাল থেকে বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত এই পরিবেশ এ বসবাস করি, তাই ব্যক্তি জিবনে গৃহ পরিবেশের প্রভাব অনেক। এখান থেকেই আমাদের বিভিন্ন অভ্যাস রুচিবোধ, দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ গড়ে উঠে। গৃহ পরিবেশের মধ্যে অবস্থান করে আমরা বিভিন্ন রকম কাজে অংশগ্রহন করি। ফলে আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ গড়ে ওঠে। আর গৃহ পরিবেশটা হওয়া দরকার পরিছন্ন, স্বাস্থ্য-সম্মত এবং সুশৃঙ্খল। তাহলেই গৃহের মানুষ গুলো সুস্থ ও সুশৃঙ্খন হয়ে গড়ে উঠবে বা আদর্শ জাতি গঠনে সহায়ক হবে। গৃহের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিছন্ন ও দুষন মুক্ত রাখা দরকার।

আনুষ্ঠানিক স্থানঃ আনুষ্ঠানিক স্থান বলতে বোঝায় যেখানে আনুষ্ঠানিক কাজগুলো সম্পন্ন করা হয়। এখানে আমরা বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা রক্ষা করি। আমাদের গৃহে কোনো অতিথি , বন্ধু-বান্ধব এলে আমরা আনুষ্ঠানিক স্থাঙ্গুলোতে অভ্যররথনা জানাই। কখনো কখন থাকার ব্যবস্থা করি।

এই স্থান গুলোর মধ্যে আছে—

  • বসার ঘর বা ড্রইং রুম
  • খাওয়ার ঘর
  • অতিথি ঘর
  • গারি বারান্দা
  • সিড়ি ইত্যাদি।

আনানুষ্ঠানিক স্থানঃ আনানুষ্ঠানিক স্থান বলতে বোঝায় সাধারণত আমরা যে স্থান গুলোতে ব্যক্তিগত বা একান্ত নিজের কাজ গুলো করে থাকি। এখানে আমরা বিশ্রাম নেই, ঘুমাই, পড়াশুনা করি, সাজসজ্জা করি ইত্যাদি। এই স্থান গুলোতে শুধুমাত্র সদস্যরাই বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করে থাকে। তাই এখানে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়। আনানুষ্ঠানিক

 স্থান গিলোর মধ্যে পড়ে—

  • শোবার ঘর
  • পড়ার ঘর
  • সাজসজ্জার ঘর ইত্যাদি।

কাজের স্থানঃ এই স্থান গুলোতে প্রতিদিন গৃহের বিভিন্ন কাজ করা হয়। যেমনঃ রান্না করা , বিভিন্ন রকম পরিস্কার পরিছন্নতার কাজ, বিভিন্ন দ্রব্য যথাযথ সংরক্ষন করা ইত্যাদি।

কাজের স্থান গুলো হলো—

  • রান্না ঘর
  • বাথরুম ও টয়কেলেট
  • ভারার ঘর বা চাল, ডাল, শশ্য ইত্যাদি সংরক্ষনের ঘর।
  • কাপর, তৈজসপাতি বা বাসন পেয়ালা ধোয়ার স্থান
  • কোটা-বাসার স্থান

২ নং প্রশ্নের উত্তর

আনুষ্ঠানিক স্থানঃ

  • বসার ঘর বা ড্রইং রুমঃ আমাদের গৃহে কোনো অতিথি , বন্ধু-বান্ধব এলে আমরা আনুষ্ঠানিক স্থাঙ্গুলোতে অভ্যররথনা জানাই। কখনো কখন থাকার ব্যবস্থা করি।
  • খাওয়ার ঘরঃ অতিথিসহ পরিবারের সবাই মিলে খাবার গ্রহন করি।

আনানুষ্ঠানিক স্থানঃ

  • শোবার ঘরঃ আমদের শোবার কক্ষ আছে ৪ টি। নিজ নিজ কক্ষ সমূহে আমরা বিশ্রাম নিই ও ঘুমাই এবং কোনো অতিথি আসলে তাকে থাকতে দেই।
  • পড়ার ঘরঃ পড়ার ঘরে আমি ও আম্র ছোট বোন পড়াশোনা করি।

কাজের স্থানঃ

  • রান্না ঘরঃ এই ঘরে আম্মু রান্না-বান্না করেন ও খাবার পরিবেশন করার বিভিন্ন বাসনপত্র সাজিয়ে রাখেন।
  • বাথরুমঃ এই কক্ষে আমরা গোসল করা সহ বিভিন্ন বাসন পত্র পরিস্কার ও পরিছন্ন করে থাকি।

Class 6 Assignment 2021।3rd week[কৃষি শিক্ষা]

Class 6 Assignment Solution 2021।3rd week[কৃষি শিক্ষা]

ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা গ্রামের আদর্শ কৃষক আবদুর রহিম নিজ বাড়িতে ২ টি গাভী, ১ টি ষাঁড়, ২০ টি হাঁস ও ২০ টি মুরগি পালন করেন। এছাড়াও বাড়ির আঙ্গিনায় বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি, ফলমূল এবং পুকুরে বিভিন্ন ধরনের মাছ চাষ করে থাকেন। তিনি মনে করেন মৌলিক চাহিদাগুলোর অধিকাংশই তার কার্যক্রম থেকে পেয়ে থাকেন। আমিও মনে করি মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলীর  সব কয়টি কৃষি কার্যক্রমের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব।

যুক্তি স্বারা আমার মতামত উপস্থাপন করা হলোঃ

কৃষির সাথে আমাদের জীবন অঙ্গাওঙ্গিভাবে জড়িত। মানুষের পাঁচটি মৌলিক চাহিদা রয়েছে। এগুলো হলো, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা।  মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো কৃষি কার্যক্রমের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব। যেমনঃ

১. খাদ্যঃ খাদ্য আমাদের বেঁচে থাকার জন্য একান্ত প্রয়োজন। খাদ্যের প্রয়োজন মেটানোর জন্য জন্ম হয়েছিলো কৃষির। এখনো আমাদের দেশের প্রধান লক্ষ্য কৃষিতে স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জন করা। মানুষের জীবনের জন্য খাদ্যের প্রয়োজন। খাদ্য মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা এবং কৃষির দ্বারা এই চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

২. বস্ত্রঃ বস্ত্র উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল আঁশ ফসল। তুলা ও পাট আমাদের প্রধান আঁশ ফসল। আঁশ ফসলের মাধ্যমে মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। আঁশ ফসলের মাধ্যমে বস্ত্রের মতো  অন্যতম মৌলিক চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে।

৩. বাসস্থানঃ সারা পৃথি জুড়ে বিশেষ করে গ্রামীন বাসস্থান এখোনো বহুলাংশে কৃষি নির্ভর। শুধু বাসস্থান ও নয় সেখানে ব্যবহার্য আসবাপত্রের জিনিসপত্র, নির্মান সামগ্রী ও যোগান দেওয়া হয়।।

৪. স্বাস্থ্যঃ স্বাস্থ্য রক্ষায় সুষম খাদ্য অপরিহার্য। এই সুষম খাদ্যের যোগান দেয় কৃষি।  আদি কাল থেকেই মানুষ বিভিন্ন রোগ ব্যাধি নিরাময়ে উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল। এই ভিত্তিতে বাংলাদেশে এর প্রসার লাভ করে।  তাই কৃষি ও কৃষকের অবদান ও প্রসারিত হয়। প্রকৃতিতে এরকম বিভিন্ন গাছ পাওয়া যায় যা আমাদের বিভিন্ন রোগের ঔষধ হিসেবে ব্যবহ্রিত হয়। এবং এদের চাষ ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা লাভ জনক ও বটে। অর্থ্যাৎ স্বাস্থের মতো মোউলিক চাহিদা পূরণে কৃষির ভূমিকা অপ্রিহার্য।

৫. শিক্ষাঃ আঁখের ছোবরা, বাঁশ ও গেওরা কাঠ থেকে লেখার কাগজ তৈরি হয়। ধুন্দল কাঠ থেকে পেন্সিল তৈরি হয়।।

উপরক্ত আলোচোনা থেকে এটা বোঝা যায় যে, মানুষের সব কয়টি মৌলিক চাহিদা কৃষির মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব।।

We will be happy to hear your thoughts

      Leave a reply

      error: Content is protected !! Contact us to get content.