Class 9 Assignment with Solution 2021।4th week[বাংলা, রসায়ন, ব্যবসায় উদ্যোগ এবং ভুগোল ও পরিবেশ]

Table of Contents

Class 9 4th weekAssignment 2021[বাংলা]

accinment

Class 9 4th weekAssignment Solution 2021[বাংলা]

অভাগীর স্বর্গ গল্পে মানবিক সমাজ গঠনে যে প্রতিবন্ধকতাসমূহ রয়েছে তা কীভাবে দূর করা যেতে পারে বলে তুমি মনে কর ? যৌক্তিক মত উপস্থাপন কর।
 
মানবিক সমাজের প্রতিবন্ধকতা 
 
মানবিকতা বলতে বােঝায় মানুষের মূল্যবােধ। মানুষের বিচার বুদ্ধি যে বুদ্ধি আমরা অর্জন করি , বিভিন্ন ধরনের জ্ঞানের মাধ্যমে। যেমন ধর্মীয় , সামাজিক , রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইত্যাদি। মানবিকতার মূলমন্ত্র হলাে মানুষের কল্যাণ , জাতির কল্যাণ সমাজের কল্যাণ। মােটকথা মানুষের ভলাে , মানুষের জন্য ভালাে কিছু করা , মানুষের উন্নতি সাধন করাই মানবিকতা। কিন্তু শরচ্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত অভাগীর স্বর্গ গল্পে মানবিকতা বলতে আমরা যা বুঝি তার বিন্দুমাত্র মিল খুঁজে পাই নি । তাইতাে মানবিক সমাজ গঠনে ব্যর্থ হয়েছে “ অভাগীর স্বর্গ ” গল্প । কারণ অভাগীর স্বর্গ গল্পে রয়েছে মানবিক সমাজ গঠনের নানবিধ প্রতিবন্ধকতা।যেমনঃ 
 
শ্রেণি বৈষম্যঃ অভাগীর স্বর্গ গল্পে আমরা দেখতে পাই যে তখনকার সমাজ ব্যবস্থার মাঝে শ্রেণি বৈষম্য ছিল প্রকট।এই শ্রেণি বৈষম্য এর মাঝে ছিল ধনী – গরীব ভেদাভেদ , উঁচু জাত – নিচু জাতের ভেদাভেদ। এই গল্পে আমরা দেখতে পেরেছি সমাজের উচু জাতের লােকদের দ্বারা নিচু জাতের অর্থাৎ গরীব অসহায়দের প্রতি বৈষম্য।
 
ন্যায়বিচারের ভাব: অভাগীর বেল গাছ লাগানাের ঘটনা থেকে আমরা দেখতে পাই যে তখনকার সমাজ ব্যবস্থায় কতটা ন্যায়বিচারের অভাব ছিল।
 
শােষকের শােষণঃ অভাগীর স্বর্গ গল্পের জমিদার এর চরিত্র থেকে একথা স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় যে শাসক। শ্রেণির লােকদের অপরীসীম শােষণ যা একটি মানবিক সমাঝ গঠনের প্রধান অন্তরায় বলে আমি মনে করি।
 
সামাজিক মর্যাদাঃ একটা মানুষ যখন সমাজে তার নিজ পরিচয়ে মাথা উঁচু করে বাঁচতে না পারে অর্থাৎ সামাজিক মর্যাদা নিয়ে দাঁড়াতে না পারে তখন ই সমাজের মাঝে অমানবিক আচার আচরণ প্রকট হয়ে দেখা যে যা মানবিক সমাজ গঠনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।
 
বিবিধঃ সমাজে ধনী – দরিদ্রের মধ্যে যেমন প্রর্থক্য রয়েছে , তেমনি রয়েছে ধর্মে – ধর্মে , সম্প্রদায়ে – সম্প্রদায়ে এবং জাত – পাতের প্রকট পার্থক্য। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব পার্থক্য অশিক্ষা , অজ্ঞতা , কুসংস্কার ও হীন স্বার্থবুদ্ধিপ্রসূত। এতে করে সমাজ প্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়। সমাজজীবনে সৃষ্টি হয় নানা দুঃখজনক ঘটনার। এমনকি এত মানবতার বিপর্যয়ও ঘটে থাকে।
 
প্রতিবন্ধকতা জয় করার উপায়ঃ 
 
১.যথােপযুক্ত শাসনব্যবস্থাঃ একটি সুন্দর মানবিক সমাজ গঠনে আইনের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে কার্যকরী শাসনব্যবস্থা চালু থাকলে শুধু সমাজ নয় বরং সারা পৃথিবীকে মানবিক করে তােলা সম্ভব।
 
২. সুষম বিচার ব্যবস্থাঃ যে সমাজে বিচার ব্যবস্থা সুষম অর্থ্যাৎ ন্যয়বিচার রয়েছে সে সমাজ কে আমরা মানবিক বলতে পারি। একটা সমাজে যদি অন্যায় অপরাধের সঠিক বিচার হয় , বিচার ব্যবস্থা যদি পক্ষপাতদুষ্ট না হয় তখন ই কেবল সমাজের বসবাস রত মানুষ যারা রয়েছে তারা নিজেদের কে নিরাপদ ও সুরক্ষিত ভাবতে পারবে আর তাতেই মানবিক সমাজ গঠনের পথটা সুগম হয়ে যাবে।
 
৩. শাসন ব্যবস্থার স্বচ্ছতাঃ সমাজে যারা শাসক গােষ্ঠী রয়েছে অর্থাৎ যারা সমাজে নীতি নির্ধারক তারা যদি সমাজের মানুষের উপকারে তাদের শাসন করে তবে সে সমাজ মানবিক হতে বাধ্য। শাসনের নামে যেন শােষণ না হয়। শােষিত মানুষের মাঝে সবসময় ক্ষোভ বিরাজ করে।
 
৪. আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সমাজে যাতে সবাই নিজের মত করে বাঁচতে পারে , নিজস্ব ধর্মীয় আচার আচরণ পালন করতে পারে , নিজের মতামত স্পষ্ট করে প্রকাশ করতে পারে সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। 
 
৫. সামাজিক মূল্যবােধ চর্চা করতে হবে। সমাজের প্রতিটি মানুষের মাঝে সামাজিক মূল্যবােধ কে জাগিয়ে তুলতে হবে। 
 
৬. শ্রেণি বৈষম্য দূরীকরণ করতে হবে। আমরা যদি দেখি হিন্দুস্থানি দারােয়ান অশ্রাব্য গালি দিলেও গায়ে হাত দিনা অশৌচের ভয়ে। এতেই প্রতীয়মান হয় যে তৎকালীন হিন্দুসমাজে জাত – পাত ও বর্ণপ্রথা প্রচলিত ছিল। এই ধরণের বৈষম্য অবশ্যই দূর করতে হবে যদি আমরা একটি মানবিক সমাজ গঠন করতে চাই।

Class 9 4th weekAssignment 2021[রসায়ন]

Class 9 4th weekAssignment Solution 2021[রসায়ন]

প্রতিবেদকের নামঃ
প্রতিবেদকের সিরোনামঃ
প্রতিবেদনের তারিখঃ
প্রতিবেদনের ঠিকানাঃ

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর রসায়ন পরীক্ষাগারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা অবশ্যক

সাধারণত যেখানে বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়াদি পরিক্ষা নিরিক্ষা এবং গবেষনা করা হয় তাকে পরিক্ষাগাড় বা রসায়ন গবেষ্পনাগার ( Chemistry Laboratory ) বলে।

রসায়ন গবেষনাগারে থাকে বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য। প্রায় প্রত্যাকটি রাসয়নিক দ্রব্যই আমাদের জন্য বা পরিবেশের জন্য কম-বেশি ক্ষতিকারক। কোনো রাসায়নিক দ্রব্য বিষ্ফোরক জাতীয়, কোনো রাসায়নিক দ্রব্য দাহ্য ( যা অতি সহজেই আগুন ধরে যায় ), কোনোটির আমাদের শরীরে সরাসরি ক্ষতি করে আবার কোনোটি পরিবেশের ক্ষতি করে।

রসায়ন পরীক্ষাগারে যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই কাচের তৈরি। তাই এ রসায়ন পরীক্ষাগারে ঢোকা থেকে শুরু করে বের হওয়া প্রতিটি পদক্ষেপে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

অসতর্ক হলেই যেকোনো ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। যেমনঃ এসিড গায়ে পড়লে শরীর ক্ষত সৃষ্টি হবে। পশাকে পরলে পোশাকটি নস্ট হয়ে যেতে পারে। এছাড়া রসায়ন গবেষনাগারে অগ্নিকান্ড সহ নানা ধরনের ছোট-বড় দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।

তাই শরীরকে রক্ষা করতে পরতে হবে নিরাপদ পোশাক বা অয়াপ্রোন। রসায়ন গবেষনাগারে ব্যবহৃত অয়াপ্রোনের হাতা হবে হাতে কবজি পর্যন্ত আ লম্বায় হাটুর পযন্ত। এটি হয় সাদা রঙ্গের। হাতকে সুরক্ষা দেও্যার জন্য ব্যহৃত হয় গ্লাভস। চোখের জন্য গগলস ব্যবহার করা হয়।

যেকোনো ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের আগেই আমাদের জেনে নিতে হবে সে রাসায়নিক দ্রব্যটি কোন প্রকৃতির। সেটি কি বিষ্ফোরোক অথবা দাহ্য । সেটি বোঝানোর জন্য রাসনিক পদার্থের বোতল বা কৌটার লেবেলে একধরনের সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় ।

বিষ্ফোরক পদার্থঃ এ চিহ্ন বিশিষ্ট পদার্থ থেকে খুব সাবধানে থাকতে হবে। এসব পদার্থ ব্যবহারের সময় মনে রাখতে হবে এসব পদার্থ আঘাত লাগলে বা আগুন লাগলে প্রচন্ড বিষ্ফোরন হতে পারে। তাই এসব দ্রব্য খুব সাবধানে নাড়াচাড়া করতে হবে।

দাহ্য পদার্থঃ অয়ল্কোহল, ইথার ইত্যাদি দাহ্য পদার্থ। এসব পদার্থে দ্রুত আগুন ধরে যেতে পারে। তাই এদের আগুন বা তাপ থেকে সব সময় দূরে রাখতে হবে। ক্ষত সৃষ্টিকারী এ চিহ্নধারী পদার্থ শরীরে ক্ষত সৃষ্টি করে। শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে গ্রহন করতে পারে। হাইড্রোক্লোরিক এসিদ, সালফিউরিক এসিড ইত্যাদি দাহ্য পদার্থের উদাহরণ।

পরিবেশের জন্য ক্ষতিকরঃ এ চিহ্নধারী পদার্থ গুলো পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। অর্থাৎ উদ্ভিদ ও প্রানী উভয়ের জন্যই বিপজ্জনক। এ ধরনের পদার্থের উদাহরণ হলো লেড-মার্কারি ইত্যাদি। তাই এগুলো কে ব্যবহার করার সময় যিথেষ্ট সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। আবার ব্যবহারের পরে যেখানে সেখানে ফেলে না রাখার চেষ্টার করতে হবে। তাহলে এগুলো পরিবেশে ছড়িয়ে পরতে পারবে না।

সাস্থ্য ঝুকিপূর্ণ পদার্থঃ এ ধরনের পদার্থ ত্বকে লাগলে বা শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে শরীরের ভেতরে গেলে শরীরের সল্পমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি সাধন করতে পারে।

Class 9 4th weekAssignment 2021[ব্যবসায় উদ্যোগ]

accinment

Class 9 4th weekAssignment Solution 2021[ব্যবসায় উদ্যোগ]

  • ৯ম শ্রেণির ব্যবসায় উদ্যোগ এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১
উত্তর: প্রশ্নে বর্ণিত কাজগুলো যে শিল্পের অন্তর্ভুক্ত তার তালিকা:শিল্পের নাম:
বিবরন 
ক: সাভারের হেমায়েতপুর -এ চামড়ার জুতা তৈরির কারখানাউৎপাদন শিল্প
খ: পোল্ট্রি ফার্মের ডিম ও বাচ্চা উৎপাদন করাপ্রজনন শিল্প
গ: পদ্মা সেতু তৈরি করানির্মাণ শিল্প
ঘ: বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ড থেকে গ্যাস উত্তোলননিষ্কাশন শিল্প
ঙ: কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়ক তৈরিনির্মাণ শিল্প
চ: সুন্দরবন থেকে মধু আহরণনিষ্কাশন শিল্প
ছ: জয়পুর সুগার মিলে আখ থেকে চিনি উৎপাদনউৎপাদন শিল্প
জ: বৈদেশিক বাণিজ্যে সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করাসেবা শিল্প
ঝ: গাছের চারা উৎপাদনপ্রজনন শিল্প
ঞ: হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়াসেবা শিল্প
কারণ:
 

_ প্রজনন শিল্পে উৎপাদিত সামগ্রী পুনরায় সৃষ্টি বা উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয়। পোল্ট্রি ফার্ম ফার্মের ডিম ও বাচ্চা উৎপাদন করা এবং গাছ চারা উৎপাদন উৎপাদনের উৎপাদিত সামগ্রী পুনরায় ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই, এই দুইটি প্রজনন শিল্পের অন্তর্ভুক্ত।

_ নিষ্কাশন শিল্প বলতে ভূগর্ভ, বায়ু, পানি হতে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণকে বুঝায়। ভূগর্ভে থেকে গ্যাস উত্তোলন এবং বন থেকে মধু সংগ্রহ করা হয় বলে এরা নিষ্কাশন শিল্পের অন্তর্ভুক্ত।

_ নির্মাণ শিল্প বলতে রাস্তাঘাট, সেতু, সড়ক,  বাঁধ, দালানকোঠা নির্মাণকে বোঝায়। তাই, পদ্মা সেতু তৈরি ও মেরিন ড্রাইভ সড়ক তৈরি এই শিল্পের অন্তর্ভুক্ত। 

_ শ্রম ও  যন্ত্র ব্যবহার করে কাঁচামাল বা অর্ধপ্রস্তুত জিনিসকে মানুষের ব্যবহার উপযোগী পণ্যে রূপান্তর করার শিল্পই হচ্ছে উৎপাদন শিল্প। এখানে চামড়া থেকে জুতা ও আখ থেকে চিনি উৎপাদন করায় কাঁচামালের রূপান্তর হচ্ছে যা উৎপাদন শিল্পের অন্তর্ভুক্ত।

_ যে শিল্প মানুষের জীবনযাত্রা সহজ ও আরামদায়ক করার কাজে নিয়োজিত তাকে সেবা শিল্প বলে। তাই বাণিজ্যের জন্য সমুদ্র বন্দর ব্যবহার ও হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া, মানুষের জীবনকে সহজ ও সুন্দর করেছে। তাই, এগুলো সেবা শিল্পের অন্তর্ভুক্ত।

Class 9 4th weekAssignment 2021[ভুগোল ও পরিবেশ]

Class 9 4th weekAssignment Solution 2021[ভুগোল ও পরিবেশ]

“ পরিবেশ বাঁচলে বাচবে পৃথিবী ” – অনধিক ৩০০ শব্দের মধ্যে একটি প্রতিবেদন লিখ। 
 
সংকেত: 
 
১। সূচনা 
 
২। পরিবেশের উপাদান 
 
৩। ভূগােলের শাখা
 
 ৪। ভূগােল ও পরিবেশের আন্তঃসম্পর্ক  
 
৫। পরিবেশ সংরক্ষণে আমাদের ভূমিকা 
 
৬। উপসংহার
 
পরিবেশ বাঁচলে পৃথিবী বাঁচবে
 
ভূমিকাঃ- সারা পৃথিবীর পরিবেশ আজ বিপর্যস্থ। মানুষের সৃষ্ট যন্ত্রসভ্যতার গােড়াপত্তন থেকেই চলছে প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর নির্মম কুঠারাঘাত। ফলে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে , পৃথিবী ধাবিত হচ্ছে ধ্বংসের দিকে।
 
পরিবেশের উপাদানঃ পরিবেশের উপাদান ২ প্রকার। যথাঃ জীব উপাদান এবং জড় উপাদান। যার জীবন আছে জীব উপাদান এবং যার জীবন নাই তা জড় উপাদান। পরিবেশ রক্ষায় এসব উপাদানের ভারসাম্য দরকার।
 
ভূগােলের শাখাঃ ভূগােলের রয়েছে নানাবিধ শাখা। যেগুলাে প্রত্যেকটি পরিবেশর জন্য আলাদা আলাদা কাজ করে থাকে। যেমনঃ জলবায়ুবিদ্যা , মৃত্তিকাভূগােল , জীব ভূগােল , জনসংখ্যা ভূগােল ইত্যাদি। এসব শাখার কার্যকারী সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে পরিবেশকে বিভিন্ন দূষণের হাত থেকে রক্ষা করে সুন্দর পৃথিবী গড়া সম্ভব।
 
ভূগােল ও পরিবেশের আন্তঃসম্পর্কঃ ভূগােল হলাে পৃথিবীর বিজ্ঞান। পৃথিবীপৃষ্ঠে সংঘটিত ব্যবস্থাগুলাে কিভাবে কাজ করছে এবং প্রাকৃতিক বিষয়গুলাের সাথে মানুষ কিভাবে নিজেকে মানিয়ে নেয় তার ব্যাখ্যা খোঁজে ভূগােল। অন্যদিকে মানুষ যেখানেই বাস করুক না কেন তাকে ঘিরে একটি পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিরাজ করে।আর সেগুলোর সমন্বয়ই হলাে পরিবেশ। 
 
তাই ভূগােল ও পরিবেশের মধ্যকার গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। কেননা পরিবেশ যে সব উপাদান দিয়ে গঠিত হয় তার যথােপযুক্ত ব্যাখ্যা এবং আলােচনা করে ভূগােল। ফলে ভূগােল ও পরিবেশ একই সূত্রে গাঁথা। আর আমরা যদি ভূগােলের বর্ণনা ও গবেষণাকে কাজে লাগিয়ে একটি সুন্দর কাঠামাে তৈরি করতে পারি তাহলে পৃথিবী হয়ে উঠবে শান্তিময়।
 
পরিবেশ সংরক্ষণে আমাদের ভূমিকাঃ সুস্থ সুন্দর নিরাপদ পরিবেশ সবার জন্য অপরিহার্য। মানুষের জন্য তাে বটেই , সকল সৃষ্টিকুলের জন্য নিরাপদ পরিবেশজরুরী আর এজন্য আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। আমাদের বৃক্ষনিধন বন্ধ করেবৃক্ষরােপন করতে হবে । বায়ুদূষণ রােধ করে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখতে হবে।
 
রাসায়নিক জিনিস ব্যবহার কমে দিয়ে জৈব পদার্থের দিকে নজর দিতে হবে ৷ নদী নালা ভরাট না করে তা দিকে নজর দিগন্তবিক গতিপথ তৈরি করতে হবে। সর্বপরি পরিবেশ রক্ষায় সকলকে সচেতন হবে।
 
উপসংহারঃ জীবন ও পরিবেশ এক ও অবিচ্ছেদ্য। পরিবেশ বাঁচলে পৃথিবী বাঁচবে আর পৃথিবী বাঁচলে আমাদের সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে ব ) , বাঁচতে হলে পৃথিবীকে রক্ষা করতে হবে। আর এজন্য রাষ্ট্র ও জনগণ সবাইকে একত্রে মিলেমিশে কাজ করতে হবে।

We will be happy to hear your thoughts

      Leave a reply

      error: Content is protected !! Contact us to get content.